পা ফাটা অনেক সাধারণ একটি সমস্যা৷ এটি শীতকালে বেড়ে যায়৷ কখনও কখনও পায়ের গোড়ালী ফেটে ব্যাথা হয় ও হাটতে সমস্যা হয়৷
পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণঃ
* শুষ্ক জলবায়ুযুক্ত স্থানে বসবাস
* স্থূলতা
* সমানে খালি পায়ে হাঁটা
* গোড়ালি খোলা জুতো পরা
* নিষ্ক্রিয় ঘর্মগ্রন্থি খুব বেশি শুকিয়ে যাওয়া
* ময়েসচারাইজারের অভাব
* পায়ের সঠিক যত্ন না নেয়া
* অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
সঠিকভাবে পা ফাটা প্রতিরোধ করা না হলে এই ফাটা অনেক গভীর পর্যন্ত চলে যায় ফলে রক্তপাতও হতে পারে। তাই পা ফাটাকে অবহেলা না করে খুব সহজেই ঘরে বসে আপনি প্রতিরোধ করতে পারেন এটি। নিচে তার কয়েকটি উপায় দেয়া হল-
১. চালের গুঁড়ার ব্যবহার
একমুঠো চালের গুঁড়ো নিয়ে এতে ২/৩ টেবিল চামচ মধু, ২ তেবিল চামচ ভিনেগার, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল/ আলমণ্ড অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুণ। প্রথমে ১০ মিনিট গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিয়ে এই পেস্টটি দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে স্ক্রাব করে নিন। এতে করে পায়ের মরা চামড়া দূর হবে এবং শুষ্ক ভাবও চলে যাবে।
২. নিম পাতার ব্যবহার
১০/১৫ টি নিম পাতা নিয়ে ধুয়ে ভালো করে বেটে নিন। এতে ৩ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন পুরু করে। ৩০ মিনিট রেখে গরম পানি দিয়ে পা ভালো করে ধুয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান দ্রুত পা ফাটা রোধ করবে।
৩. গোলাপজল ও গ্লিসারিনের ব্যবহার
গোলাপজলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৩, সি, ডি ও ই, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা পা ফাটা দূর করে। এবং গ্লিসারিন ত্বককে নরম ও কোমল করতে সহায়তা করে। সমান পরিমাণ গোলাপজল এবং গ্লিসারিন মিশিয়ে নিয়ে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের গোড়ালি ও পাতায় ম্যাসেজ করুণ।
৪. লেবুর ব্যবহার
লেবুর এসিডিক উপাদান পায়ের ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে পা ফাটা রোধ করে। একটি লেবু কেটে নিয়ে সরাসরি তা দিয়ে পায়ের গোড়ালিতে ঘষুন। এছাড়া হাল্কা গরম পানিতে লেবুর রস চিপে দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ডুবিয়ে রেখে ঝামা ইট দিয়ে ঘষে নিন পায়ের গোড়ালি। পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।
Post a Comment